কোটা আন্দোলনের রাশেদ আবার ১০ দিনের রিমান্ডে

জলচিত্র অনলাইন ডেক্স: কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ রাশেদ খানের আবার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা সিএমএম আদালত। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোটা সংস্কার নিয়ে ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসায় ভাঙচুরের একটি মামলায় পাঁচদিন করে ১০ দিনের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তদন্দকারী কর্মকর্তাদ্বয় উভয় মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

এর আগে গত ২ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আদালত এ আসামির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে হাজির করে দুই মামলায় ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় বলা হয়, গত ২৭ জুন আসামি রাশেদ তার নিজের ফেসবুক (মুহাম্মাদ রাশেদ খাঁন নামে) থেকে ফেসবুক গ্রুপে ‘কোটা সংস্কার চাই (সকল ধরনের চাকরির জন্য)’ রাত ৮টা ৮ মিনিটে লাইভে এসে একটি বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘মনে হচ্ছে, তার বাপের দেশ, সে একাই দেশের মালিক, ইচ্ছামতন যা ইচ্ছা তাই বলবে আর আমরা কোনো কথা বলতে পারব না।’ উক্ত বক্তব্য ছাত্র সমাজের প্রতি উস্কানীমূলক। যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে গত ১ জুলাই সকালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। এরপরই রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ ব্যানারে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দিলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ রাশেদ খানের আবার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা সিএমএম আদালত। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোটা সংস্কার নিয়ে ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসায় ভাঙচুরের একটি মামলায় পাঁচদিন করে ১০ দিনের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তদন্দকারী কর্মকর্তাদ্বয় উভয় মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

এর আগে গত ২ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আদালত এ আসামির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে হাজির করে দুই মামলায় ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় বলা হয়, গত ২৭ জুন আসামি রাশেদ তার নিজের ফেসবুক (মুহাম্মাদ রাশেদ খাঁন নামে) থেকে ফেসবুক গ্রুপে ‘কোটা সংস্কার চাই (সকল ধরনের চাকরির জন্য)’ রাত ৮টা ৮ মিনিটে লাইভে এসে একটি বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘মনে হচ্ছে, তার বাপের দেশ, সে একাই দেশের মালিক, ইচ্ছামতন যা ইচ্ছা তাই বলবে আর আমরা কোনো কথা বলতে পারব না।’ উক্ত বক্তব্য ছাত্র সমাজের প্রতি উস্কানীমূলক। যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে গত ১ জুলাই সকালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। এরপরই রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ ব্যানারে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দিলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।