উজ্জীবিত বাংলাদেশ ১৩ আগস্ট নেপালের মুখোমুখি

জলচিত্র অনলাইন ডেক্স:  পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে উড়ন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আগামী ১৩ আগস্ট ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যারা।

প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের সুবাদে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছে মারিয়া-শামসুন্নাহাররা। নেপালকে হারিয়ে অপরাজিত থাকতে চায় লাল সবুজের জার্সিধারীরা। সেই লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোরী মেয়েরা। শুক্রবার থিম্পুর আর্মি বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে গিয়ে এক ধণ্টার মতো হাঁটহাঁটি করেছে। যেটা মূলত ছিল একটি রিকভারি সেশন। পাহাড়ী পথে হাঁটাটা সবাই বেশ উপভোগই করেছে। এরপর তারা কিছুক্ষণ স্ট্রেচিং, রানিং এবং হাল্কা এক্সারসাইজ করে।

দুপুরে দ্বিতীয় সেশনে দলের সবাই জিম করে তাদের হোটেলেই। দীর্ঘ ৪৫ মিনিট জিম করে ঘাম ঝরায় তারা। বাফুফে জানিয়েছে, দলের সব খেলোয়াড়ই শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ আছে। বিকেলে তৃতীয় সেশনে বিকেলে বিনোদনের জন্য পুরো দল কাছের শহরে একটি স্পোটর্স শপে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যায়।

শনিবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের অধীনে কঠোর অনুশীলন করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। দুই ঘণ্টার অনুশীলনে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন বাফুফের স্ট্র্যাট্রেজিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল ডিরেক্টর অস্ট্রেলিয়ান পল থমাস স্মলি।

মিডফিল্ডার নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, নেপালের বিপক্ষে আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলব আমরা। কারণ নেপাল পাকিস্তানের চেয়ে ভাল দল। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের সঙ্গে যেমন খেলেছি, সেভাবে খেললেই জয় পাব আমরা। এ সময় দেশবাসীর দোয়া কামনা করে নিলুফা।

দলের গোলরক্ষক মাহমুদা আক্তারের অভিমত, ‘প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের জন্য আমরা সবাই ভীষণ খুশি। আমরা সবাই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খুব ভাল খেলেছি। এখন আমরা পরের ম্যাচে নেপালের বিরুদ্ধে কিভাবে খেলবো, সেটা নিয়েই ভাবছি এবং অনুশলিন করে যাচ্ছি। নেপাল ভাল দল। তাদের সঙ্গে জেতার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করবো।’

দলের এ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মনিকা চাকমার ভাষ্য, ‘প্রথম ম্যাচে জিতেছি বেশ ভালভাবেই। তবে এ নিয়ে আর ভাবতে চাই না। এখন চিন্তা পরের ম্যাচে কিভাবে নেপালকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হওয়া যায়।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করা শামসুন্নাহার জুনিয়র বলেন, ‘দলের বড় জয়ে চার গোল করে অবদান রাখতে পেরে অসম্ভবব ভাল লাগছে। এজন্য ধন্যবাদ দিতে চাই আমার কোচ ছোটন স্যারকে। গত সাত মাস ধরে তিনি আমাদের যা শিখিয়েছেন, সেটাই মাঠে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি। হংকংয়ের মতো এই আসরেও আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।