ডোমারের প্রধান সড়ক কোটি টাকা ব্যায়ে পূর্ন হলোনা খানা-খন্দ জনদুর্ভোগ চরমে

 

 

 

আলমগীর হোসেন-ডোমার(নীলফামারীর)প্রতিনিধিঃ ডোমার শহরের প্রধান সড়কটির প্রায় ১কোটি টাকা ব্যায়ে দায়সারা ভাবে কাজ করায় সংস্কারের ৪ মাসের মাথায় আবারো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
ডোমার শহরের প্রধান সড়কটি প্রায় ১কোটি টাকা ব্যায়ে সংস্কারের ৪ মাসের মাথায় ডোমার-ডিমলা,ডোমার-জলঢাকা সড়কের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস থেকে ডোমার দেবীগঞ্জ সড়কের মাদ্রাসা মোড় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের আবারো অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছোট-বড় খানা-খন্দে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রানহানীর আশংকা করা হচ্ছে। সড়ক দিয়ে চলাচলে জন সাধারনের চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।ফলে ছোট ছোট যানবাহন গুলো বিকল্প সড়ক ব্যবহার করছে।
ডোমার শহরের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়লে বিডি ২৪ লাইভ ডটকমসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক লেখালেখি হওয়ার ফলে টনক নড়ে কতৃপক্ষের। সড়ক সংস্কারে নীলফামারী সড়ক বিভাগ চলতি বছরের ১৬ই এপ্রিল ডোমার-দেবিগঞ্জ দো-সীমানা হতে বোড়াগাড়ী ব্রীজ পর্যন্ত ১কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন নীলফামারী-১ আসনের সাংসদ আফতাব উদ্দিন সরকার। এসময় নীলফামারী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান ও দিনাজপুর সড়ক বিভাগের আঞ্চলিক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হালিমসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডোমার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে ঘটা করে সংস্কার কাজ উদ্বোধন করে ডোমার বাজারস্থ বড় বড় কয়েকটি খানা-খন্দ ইটের টুকরা ও বালি দিয়ে ভরাট করে দায়সারা কাজ করে সংস্কার কাজ শেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ময়নুদ্দিন কনষ্ট্রাকশন।
বর্তমানে ইটের টুকরা ও বালি উঠে যাওয়ায় ছোট বড় আবারো অনেক খানাখন্দ তৈরি হয়েছে।একটু বৃষ্টি হলেই খানাখন্দ পানিতে ভরাট হয়ে থাকে। ওইসব খানাখন্দে ছোট-বড় যানবাহন প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে।যে কোন সময় প্রানহানীর মতো দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে নীলফামারী সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুর আলম জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ শেষ করেছে।
ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারনে বিটুমিন দিয়ে তৈরী রাস্তা সেখানে টিকছেনা। তাই ডোমার শহরের রাস্তাটি সংস্কারের জন্য আরসিসি ৯ ইঞ্চি ঢালাই করার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।